মো. এরশাদ আলী, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিবেদক :
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার সাইলো থেকে ট্রাক বোঝাই করে গম ও চাল খালাসে ধীরগতির কারনে পরিবহন ঠিকাদাররা প্রতিদিন ৩০ হাজার টাকার মতো ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তাছাড়া পরিবহন চলাচল সূচীর চাহিদা অনুযায়ী ট্রাক বোঝাই না হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে পরিবহন শ্রমিকদেরও। প্রতিকার চেয়ে গত রবিবার রাজশাহী বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন রাজশহী বিভাগীয় খাদ্য পরিবহন (সড়ক পথ) ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার সান্তাহার সাইলো থেকে বিভিন্ন জেলা ও খাদ্য গুদামে ইপি/ওপি, ওএমএস, কাবিখা, চা-বাগান, আশ্রয়নখাতে খাদ্য শস্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সরবরাহ জরুরী হওয়া সত্বেও সাইলো কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণ গমের ট্রাক লোড দেওয়া হচ্ছে না। অথচ সময় সূচীর চাহিদা অনুযায়ী গম বোঝাইয়ের জন্য পরিবহন ঠিকাদাররা সাইলো গেটে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫টি ট্রাক ভাড়া করে সারিবদ্ধভাবে রাখেন। কিন্তু সাইলো কর্তৃপক্ষ ধীরগতিতে এসব ট্রাক লোড দেওয়ার কারণে প্রতিদিন ১২-১৫টি ট্রাকের বেশি গম লোড করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মালামাল নিতে আসা ট্রাকগুলোর মধ্যে দৈনিক ১৫-১৬ টি ট্রাক তাদের কাঙ্কিত মালামাল বোঝাই (লোড) করতে পারছেন না। এ কারণে তাদের ট্রাক প্রতি সর্বনিন্ম দুই হাজার টাকা করে ক্ষতি গুণতে হচ্ছে। সেই হিসেবে দৈনিক প্রায় ৩০ হাজার টাকা ক্ষতির মুখে পড়ছেন পরিবহন ঠিকাদাররা।
যশোর থেকে মালামাল নিতে আসা ট্রাক চালক আরিফুল ইসলাম জানান, ট্রাক চলাচল সূচী অনুযায়ী ট্রাক লোড না দেওয়ায় আমাদের সড়কে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে হচ্ছে। এমনকি মালামালের অপেক্ষায় খাওয়া দাওয়াও সঠিক সময়ে হচ্ছে না। এ ভোগান্তি থেকে আমরা দ্রুত পরিত্রান চাই।
রাজশহী বিভাগীয় খাদ্য পরিবহন (সড়ক পথ) ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন, এই সমস্যা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে মৌখিকভাবে একাধিকবার কথা বলেও কোন সমাধান হয়নি। এজন্য এবার লিখিতভাবেও আবেদন করা হলো।দ্রুত সমাধান চাই। জানতে চাইলে সান্তাহার সাইলো অধীক্ষক মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
সান্তাহার সাইলোতে কচ্ছপগতিতে ট্রাক বোঝাইয়ে ক্ষতির মুখে পরিবহন ঠিকাদাররা
এপ্রিল ১৮, ২০২৫


































