কাশী কুমার দাস, দিনাজপুর :
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার কারেন্টহাট কলেজ এর অধ্যক্ষ মো. জালাল উদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারী ও এলাকাবাসী বৈষম্যের শিকারের তথ্য তুলে, আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে কলেজ পরিচালনা, অবৈধ বালু বিক্রির টাকা আত্মাসাৎসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে আজ শনিবার (১৯ অক্টোবর) দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. খায়রুল ইসলামসহ এলাকার সকল বৈষম্যের শিকার এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে বলা হয়, কলেজের চিকিৎসাধীন শিক্ষক আবেদুর রহমানের সরকারি বেতন ভাতার টাকা ভূয়া স্বাক্ষর দিয়ে অধ্যক্ষ তুলে নিজে আত্মসাত করেছেন। অবৈধভাবে কলেজে ব্যক্তির জমি দখল করে রেখেছেন। এরা হলেন মো. এমরান আলী, মো. ওয়াকিল উদ্দিন, মো. আব্দুল কাইয়ুম, মো. আব্দুল বারি, মমিনুল ইসলাম, মো. মনির উদ্দিন, মো. এন্তাজুল হক, মৃত মোফাজ্জল হোসেন। অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন মজুমদার ডিগ্রি কোর্স ও অনার্স কোর্স চালুর লক্ষ্যে এলাকার যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
তৎকালীন সরকারের সময় জালাল উদ্দিনের সেলক দিনাজপুর জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পদাক আনোয়ার হোসেন ও আজর শাহ্ সহ আওয়ামী লীগ নেতাদের মদদে তিনি একের পর এক দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারীতে করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উস্থিত ছিলেন কলেজের প্রভাষক মো. খায়রুল ইসলাম, শিক্ষক, চাকরি প্রত্যাশি মো. মতিউর রহমান, জমি দাতা মো. ওয়াকিল ও মমতাজ বেগমসহ এলাকার লোকজন।
আমন্তণ/এসিজি
কারেন্ট হাট কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
অক্টোবর ১৯, ২০২৪


































